পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) হলো বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক ইস্যুকৃত একটি ডকুমেন্ট যা নিশ্চিত করে যে ওই ব্যক্তির বাংলাদেশে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না। এই সার্টিফিকেট ভিসা আবেদন, চাকরি, ইমিগ্রেশন, উচ্চশিক্ষা এবং অন্যান্য অফিসিয়াল কাজে ব্যবহৃত হয়।
যাদের জন্য তথ্য:
৭-১৫ কার্যদিবস
আন্তর্জাতিক বৈধতা
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে প্রয়োজন হয়:
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এবং চারিত্রিক সনদ সম্পূর্ণ আলাদা।
বিভিন্ন শ্রেণির আবেদনকারীদের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়।
দেশি এবং আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রে কিছু সংবেদনশীল পদের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হতে পারে।
streamsকানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপীয় দেশগুলোর মতো দেশগুলোতে ইমিগ্রেশন বা স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের অংশ হিসেবে অবশ্যই একটি সাম্প্রতিক বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
অনেক বিদেশি নিয়োগকর্তা চাকরির অফার দেওয়ার আগে অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করতে বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাবি করেন।
কিছু দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি বা ভিসা প্রসেসিংয়ের সময় বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়।
বেশিরভাগ বিদেশি দূতাবাস দীর্ঘমেয়াদী ভিসা ইস্যু করার আগে একটি বৈধ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দাবি করে, যেমন:
বৈধ পাসপোর্টধারী যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন।
আপনি বাংলাদেশের বাইরে থাকলেও অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনেক ক্ষেত্রে:
বাংলাদেশে ইতিপূর্বে বসবাস করেছেন এমন বিদেশি নাগরিকরাও তাঁদের নিজ দেশের ইমিগ্রেশন বা আইনি প্রয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন।
সবচেয়ে আদর্শ পদ্ধতি হলো অফিসিয়াল অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করা।
আবেদন করার পর্যায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পোর্টালে গিয়ে আপনার আবেদন শুরু করুন।
আপনার মোবাইল নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
আবেদন ফর্মে প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদান করুন:
প্রয়োজনীয় নথিপত্রের স্ক্যান কপি আপলোড করুন।
অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেল অথবা অনলাইনের মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন।
আবেদন সম্পন্ন করার পর:
ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে আপনার সার্টিফিকেট অনুমোদিত এবং ইস্যু করা হয়।
সঠিক নথিপত্র প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নথিপত্রের ভুলের কারণে অনেক সময় আবেদন বাতিল হতে পারে।
বিস্তারিত জানতে, বাংলাদেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংক্রান্ত আমাদের গাইডটি দেখুন।
বাংলাদেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
সিস্টেমটি আপনার আবেদনটি সংশ্লিষ্ট স্থানীয় থানায় পাঠিয়ে দেয়।
দায়িত্বরত কর্মকর্তারা আপনার জমা দেওয়া তথ্য এবং নথিপত্র যাচাই করেন।
শারীরিকভাবে বা ডাটাবেস চেক করার মাধ্যমে আপনার ঠিকানার ভেরিফিকেশন করা হতে পারে।
প্রয়োজনে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনি ফোন কল পেতে পারেন।
ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে ডিজিটাল মাধ্যমে অনুমোদন প্রদান করা হয়।
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।
কঠোর ভেরিফিকেশন ভুল ব্যবহার রোধ করে এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করে।
সার্টিফিকেটের মেয়াদ:
সাধারণ সময়সীমা:
বাংলাদেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট স্থায়ী নয়। অনেক ক্ষেত্রে, আপনার আগের ইস্যু করা সার্টিফিকেটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ না করলে আপনাকে নতুন একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হতে পারে। এই প্রয়োজনীয়তার কারণে আবেদনকারীদের প্রায়ই রিনিউ বা পুনরায় আবেদন করার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
নিচের পরিস্থিতিগুলোতে আপনি রিনিউ বা পুনরায় আবেদনের প্রয়োজন হতে পারে:
রিনিউ করার প্রক্রিয়াটি সাধারণত প্রথমবার আবেদন করার পদ্ধতির মতোই। আবেদনকারীকে নতুন করে আবেদন সাবমিট করতে হয় এবং ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হয়।
রিনিউ করার আবেদনের আগে নিচের বিষয়গুলো মনে রাখা প্রয়োজন:
আমাদের বিস্তারিত গাইডটি পড়ুন: বাংলাদেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিনিউ বা নবায়ন।
After submitting your application, you can track it through the official portal.
Follow these steps on the official tracking portal.
Standard application stages:
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ার সময় উদ্ভূত সাধারণ সমস্যাগুলো সমাধান করুন।
সাধারণত যে সব কারণে আবেদন বাতিল হতে পারে:
যদি আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স স্ট্যাটাস বেশ কয়েকদিন অপরিবর্তিত থাকে:
যদি বানান ভুল বা তথ্যে কোনো ত্রুটি থাকে, তবে সংশোধনের জন্য অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর।